মাস্কের জন্য পূজায় মেয়েদের মুখ দেখতে পারবে না বলে মন খারাপ বনির

পুজো যে এসেই গেল, সেকথা মনে না করিয়ে দিলে, অনেকেই এখনও ঠিক যেন বুঝে উঠতে পারছেন না। পুজোর কেনাকাটা, বেড়াতে যাওয়া, ঠাকুরদেখার পরিকল্পনা, সব আনন্দই এক নিমেষে কেমন যেন উধাও হয়ে গিয়েছে। তবে তারকাদের কাছে এবারের পুজোটা ঠিক কেমন? পুজোর কেনাকাটা নিয়ে তাঁরা এবছর ঠিক কী পরিকল্পনা করেছেন? এসব জানতে ইচ্ছা হয় বৈকি। এসব নিয়েই আজকের ‘পুজো শপিং’-এ অভিনেতা বনি সেনগুপ্তর সঙ্গে কথা বলল Zee ২৪ ঘণ্টা ডট কম।

পুজোয় কেনা কাটা করেছ?

বনি : প্রত্যেকবারের মত এবার যেভাবে পুজো শপিংয়ের জন্য বের হতে পারিনি। তবে অনলাইনে কেনাকাটা করেছি। এখন তো বিভিন্ন শপিং মলের দোকানগুলি থেকে ভিডিয়ো কলেও শপিং করা যায়। সেটাই করেছি। তবে পুজোর জন্য একদিন বেরিয়ে শপিং তো করব অবশ্যই। তবে আমার আবার শপিং নিয়ে একেবারেই ফ্যাসিনেশন নেই। ওই ঘুরে ঘুরে কেনাকাটা করতে ভালোই লাগে না। একটা দোকানে গেলে সেখান থেকেই যা কেনার কিনে বের হতে পারলে বাঁচি। (হাসতে হাসতে) বিভিন্ন দোকানে গিয়ে দেখা আমায় পোষায় না। যদিও পুজোর কেনাকাটার জন্য একদিনও বের হব না, সেটা বললে মিথ্যা বলা হবে।

তাহলে অনলাইনে তুমি বেশি স্বচ্ছন্দ?

বনি : একেবারেই। আমি অনলাইনেই বেশি কিনি। বেশকিছু বড় ব্র্য়ান্ডের অ্যাপও ফোনে নামানো আছে, সেখান থেকেই কিনি। বাড়িতে বসে কেনাকাটা করাটাই আমার পছন্দের। আর এখন বর্তমানে যা পরিস্থিতি, তাতে মনে হয় ওটাই ভালো।

দীর্ঘদিন ধরে হজমের সমস্যায় ভুগছেন? জেনে নিন এই ৬টি সহজ সমাধান বিশেষ বন্ধু রণজয় বিষ্ণুকে সঙ্গে নিয়ে রাজকীয় মধ্যাহ্নভোজে জন্মদিন পালন সোহিনীর
বাড়ির কার কার জন্য কিনবে?

বনি : বাবা-মায়ের জন্য কিনতে হবে। মায়ের জন্য ওই শাড়ি, কিংবা সালোয়ার মা যেটা পরতে স্বচ্ছন্দ, সেটাই কিনব। আর বাবা তো আমার মতো, কেনাকাটা করতে একেবারেই ভালোবাসে না। কিছু কিনলে জিজ্ঞাসা করবে, কেন কিনলি? কিছুক্ষণ পরে আবার নতুন জামা পরেও ফেলবে। (হাসি) আর কৌশানির জন্যও কিনতে হবে।

পুজোয় কী ধরনের পোশাক পরা তোমার পছন্দ? ক্যাজুয়াল নাকি সাবেকি?

বনি : আমি মোটামুটি জিন্স, টি-শার্ট কিংবা শার্টের উপরেই থাকি। ওটাতেই স্বচ্ছন্দ। ঘোরাঘুরি করতে হয়, তাই বেশি ভারী কিছু পরতে ভালো লাগে না। পাঞ্জাবি পরব, তবে সেটা হয়ত অষ্টমীর দিন। ওইদিন আমি একেবারে পুরো বাঙালি। জিন্সের উপর পাঞ্জাবি নয় কিন্তু, পাজামা-পাঞ্জাবি। (হাসতে হাসতে উত্তর বনির)

আর মাস্ক?

বনি : পুজোয় মাস্ক মাস্ট। ওটা তো পরতেই হবে। তবে মাস্কের জন্য পুজোয় মেয়েদের মুখটাই হয়ত ভালো করে দেখতে পাব না (হাসতে হাসতে)। কিন্তু কী আর যাবে!

বনি
পুজোয় বেড়ানোর কোনও পরিকল্পনা?

বনি : পুজোতে অন্যবারের মত বের হতে পারব না। যেগুলো পরিচিত পুজো আছে, সেখানে যাব। যেমন আরূপ দা, (অরূপ বিশ্বাস) ববিদা-র (ববি হাকিম) পুজোতে যাব। তারপর গাড়িতেই এদিক ওদিক ঘুরব। পুজোতে আমার আর কৌশানির সিনেমা দেখারও ইচ্ছা আছে। সিনেমাহলে গিয়েও সেটা দেখতে পারি।

যেহেতু ৫০ শতাংশ দর্শকের অনুমতি আছে, সেক্ষেত্র আগে থেকেই টিকিটের ব্যবস্থা করতে হবে। পুজোতে বেশিরভাগ সময়টা বাড়ির লোকজনের সঙ্গেই কাটবে। বাবা-মা দুজনের কেউই বেশি পুজতো বের হতে পছন্দ করেননা। দশমীর দিনটা বাবা-মা-কে নিয়ে বের হব। ছোট থেকেই ওইদিনটায় বাবা- আমায় নিয়ে বের হতেন। এখন আমি ওনাদের নিয়ে বের হব। বাকিদিন গুলিতে হাউস পার্টি চলবে।

চতুর্থীতে কৌশানির বাড়িতে থাকতেই হবে। কাজ আছে, সেটা শেষ করেই ওখানে যাব, যেতেই হবে। এছাড়া পুজোতে আমার ‘লাভ স্টোরি’ মুক্তি পাচ্ছে। পরিবারের সঙ্গে ওটা দেখতে যেতে পারি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *