কোটি টাকার কাবিনে ডিপজলের ছে’লের বিয়ে, বা’সর রা’ত হোটেল রেডিসনে

ঢালিউড অভিনেতা ও প্রযোজক মনোয়ার হোসেন ডিপজলের ছেলের বিয়ে আজ। বুধবার হলুদ সন্ধ্যা হয়ে গেছে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায় এক কোটি ১টাকা কাবিনে বিয়ে করলেন ডিপজলের বড় ছে’লে সাদ্দাম সৌমিক অ’পি। বাসর রাত হলো রেডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেনে।

৩০ সেপ্টেম্বর রাতে মীরপুর প্রিন্স বাজার কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয় বিয়ের অনুষ্ঠান। কনে কাজী তাসফিয়া। বিয়ে অনুষ্ঠানে বর ও কনের আত্বীয়স্বজন উপস্থিত ছিলেন। ঢাকা -১৬ আসনের ইলিয়াস হোসেন মোল্লাহ তার পরিবার নিয়ে বিয়ের অনুষ্ঠানে আসেন। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাতে নতুন বউ নিয়ে বাড়ী ফিরেন ডিপজলের পরিবার।

এদিকে, মঙ্লবার ২৯ সেপ্টম্বর পারিবারিক আনন্দ-উল্লাসে অনুষ্ঠিত হয় ডিপজলের ছে’লের গায়ে হলুদ। সন্ধ্যায় সাদ্দাম সৌমিক অমি”র এই হলুদ সন্ধ্যায় বিয়ের সানাইয়ের সুরে চলে হলুদ আয়োজন।

সাভা’রের ফুল বাড়ীয়ায় ডিপজলের নিজস্ব ফাইম স্টুডিও রাজে বসে এই হলুদ সন্ধ্যা। এতে ছিলো ফুচকা, চিপস ও কফি কর্নার। আমন্ত্রিত অ’তিথিদের নৈশভোজে আপ্যায়ন করা হয় ঢাকাইয়া ভোজে। আনন্দে মাতেন বর ও কনের পরিবার। তবে আনন্দ আয়োজন ছিলো সীমিত আকারে। কন্ঠশিল্পীরা উপস্থিত থাকলেও হয়নি সংগীত আয়োজন।

অ’পরদিকে, ২৮ সেপ্টেম্বর কনে কাজী তাসফিয়া মীরপুর বাসায় মে’য়ের গায়ে হলুদ অনুষ্ঠিত হয়। ঘরোয়া পরিবেশ অনুষ্ঠিত হয় গায়ে হলুদ। কনের বাবা প্রিন্স বাজার সুপার মলের স্বত্বাধিকারী।

ডিপজলের পরিবারে ৩ ছে’লে, ১ মে’য়ে। মে’য়ে সবার বড়। মে’য়ের বিয়ে দিয়েছেন। মে’য়ের ঘরে এক পুত্র সন্তান রয়েছে । অমি ছে’লের মধ্যে বড়। ব্যবসায়ী।

অমি’র হলুদ সন্ধ্যায় চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাহী কমিটির শিল্পী উপস্থি’ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি’র সিনিয়র সহসভাপতি। শিল্পী সমিতির সভা’পতি মিশা সওদাগর হলুদ সন্ধ্যায় ছি’লেন অ’নুপস্থিত।

ছে’লে’কে গায়ে হলুদ মেখে ও মিষ্টিমুখ করে আর্শীবাদ করেন বর ও কনের পরিবা’রের সদস্যরা। ঢাকা-১৬ আসনের সংসদ সদস্য ইলিয়াস উদ্দি’ন মো’ল্লা উ’পস্থি’ত হন অমি’র গায়ে হলুদে। ছিলো মীরপুর ও সাভা’র এলাকায় নেতৃ’স্থানী’য়রা।

অন্যদিকে, গত শনি’বার ২৬ সেপ্টেম্বর রাজধা’নীর একটি ফার্নিচা’রের দোকান থেকে অর্ধ’কো’টি টাকার ফার্নি’চার কিনে ছে’লের বউ’কে উপহা’র হি’সেবে পাঠি’য়ে’ছেন ডিপজল।

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় খল অ’ভিনেতা মনোয়া’র হোসেন ডিপজল ১৯৮৯ সালে ‘টাকার পাহাড়’ সিনে”মার মাধ্যমে সিনেমায় পা রা’খেন। এর পর অসংখ্য সিনে’মায় অ’ভিনয় ক’রেছেন তিনি। এছাড়া গাব’তলী এলা’কার সাবেক ওয়ার্ড ক’মিশ’নার। বিশি’ষ্ট চলচ্চিত্র প্রযো’জক- পরি’বেশক। প্রযোজক – পরিবে’শক সমি’তির সা’বেক সাধা’রণ সম্পাদক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *