সেই কাবিননামাই কাল হলো মি-ন্নির

আগের বি-য়ের কাবিননামাই কাল হলো বর-গু-নার আলোচিত রি-ফাত শরীফ হ-ত্যার মামলার স্বা-ক্ষী থেকে আসামি হওয়া আয়শা সিদ্দিকা ওরফে মি-ন্নির। তার স্বা-মী রি-ফাত শরীফ হ-ত্যাকা-ণ্ডের পর আগের বিয়ের কাবিননামার বিষয়ে কোনো স্প-ষ্ট ব্যা-খ্যা দিতে পারেননি মি-ন্নি ও তার পরি-বার। রিফাত শরীফ হ-ত্যাকা-ণ্ডের পরপরই নয়-ন ব-ন্ড ও মি-ন্নির বি-য়ের কা-বিননামা ফেসবুকে ভেসে বেড়াচ্ছিল। আর এ থেকেই রি-ফাত শরীফের হ-ত্যাকা-ণ্ডের পরি-কল্প-নাকারী হিসেবে স-ন্দেহের তীর মি-ন্নির দিকে চলে আসে। একপ-র্যায়ে পুলি-শি ত-দ-ন্তে হ-ত্যাকা-ণ্ডে মি-ন্নির স-ম্পৃক্ত থাকার প্র-মাণও পাওয়া যায়।ত-দন্তে মি-ন্নির স-ম্পৃক্ত-তা পাওয়ার পর তাকে স্বা-ক্ষী থেকে আসামি করে তদ-ন্ত প্রতিবেদন -দা-খিল করেন তদন্ত ক-র্মক-র্তা। বুধবার আলোচিত এ মা-মলার রায় ঘো-ষণা করা হয়। রায়ে মিন্নিসহ ছ-য়জনকে মৃ-ত্যুদ-ণ্ড দেয়া হয়।

এ বি-ষয়ে রি-ফাত হ-ত্যা মাম-লার বাদী প-ক্ষের আ-ইনজীবী মজিবুল হক কিসলু জানান, কাজী মো. আনিসুর রহমান স্বাক্ষী হিসেবে আদালতে বলেছেন, ২০১৮ সালের ১০ অ-ক্টোবর মি-ন্নি ও নয়ন ব-ন্ডের বিয়ে আমি স-ম্পন্ন করি। ওইদিন নয়ন ব-ন্ডে-র কিছু বন্ধু আমাকে নয়ন ব-ন্ডের বাসায় নিয়ে যায়। তখন ন-য়ন ব-ন্ডের বাসায় ন-য়ন ব-ন্ডের মা এবং মি-ন্নিসহ অনে-ক লোক উপ–স্থি-ত ছিলেন। নয়ন ব-ন্ডের বাসায় বসেই পাঁচ লাখ টাকা দেনমোহরে মি-ন্নি ও ন-য়ন ব-ন্ডের বিয়ে হয়।

তিনি আরো বলেন, বিয়ে সম্প-ন্ন করার পর আমি যখন জানতে পারি মি-ন্নি বর-গু-না পৌরসভার আবু সালেহ কমিশ-নারের ভাই-য়ের মেয়ে, তখন আমি সালেহ ক-মিশনা-রকে আমার মোবাইল দিয়ে কল দিয়ে মি-ন্নি ও ন-য়ন ব-ন্ডের বিয়ের খবর জানাই। তখন তিনি আমাকে বিয়ের কথা গো-পন রাখ-তে বলেন। এরপর মি-ন্নির বাবা মোজা-ম্মেল হোসেন কি-শোরও আমাকে ফোন করে বিয়ের বিষয়টি গো-পন রাখতে অনু-রোধ করেন।

আ-ইনজী-বী কিস-লু আরো বলেন, এরপর কাজী মো. আনিসুর রহমান জানতে পারেন রি-ফাত শরীফের স-ঙ্গে মি-ন্নি-র ফের বিয়ে হয়েছে। রি-ফাত শরীফের সঙ্গে মি-ন্নির বিয়ের পরদিন মি-ন্নির বাবা কাজিকে ফোনে বলেন, মি-ন্নি ও নয়ন বন্ড কাল তার কাছে যাবে। আপনি ওদের ডিভো-র্স করিয়ে দিয়েন। কিন্তু মি-ন্নির বাবার কথা অনুযায়ী ওইদিন তারা কাজীর কাছে আসেনি। এর পরেরদিনও ফোন করে কাজীকে একই কথা বলেন -মি-ন্নি-র বাবা কিশোর। কি-ন্তু তার পরদিনও ডি-ভো-র্সের জন্য মি-ন্নি ও নয়ন বন্ড কাজীর কাছে না আসলে কাজী এবার মি-ন্নির বাবাকে ফোন দেন। তখন মি-ন্নির বাবা কাজীকে বলেন, ওরা দুজ-নে কমিটমে-ন্ট করেছে, ওদের বিয়ের কথা ওরা কাউকে জানাবে না। গোপন রাখবে।

গত বছরের ২৬ জুন ব-রগু-না সরকারি কলেজের সামনে রি-ফাত হ-ত্যা-কা-ণ্ড ঘটে। ১ সে-প্টেম্বর ২৪ জনকে অভিযু-ক্ত করে প্রা-প্ত ও অপ্রা-প্তবয়-স্ক; দু’ভাগে বিভ-ক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দেয় পুলিশ। এর মধ্যে প্রা-প্তব-য়স্ক ১০ জন এবং অ-প্রাপ্তবয়-স্ক ১৪ জন। মামলার চা-র্জশিটভু-ক্ত প্রা-প্তবয়-স্ক আসামি মো. মুসা এখনো পলাতক।

গত ১ জানুয়ারি রি-ফাত হত্যা মামলার প্রা-প্তবয়-স্ক ১০ আসামির -বি-রু-দ্ধে চার্জ গঠন করেন বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালত। এরপর ৮ জানুয়ারি অ-প্রাপ্ত-বয়স্ক ১৪ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন বর-গু-নার শি-শু আদালত।রিফাত হ-ত্যা মামলার প্রা-প্তব-য়স্ক আসামিরা হলেন রাকিবুল হাসান রিফাত ফরাজি, আল কাইউম ওরফে রাব্বি আকন, মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, রেজওয়ান আলী খান হৃদয় ওরফে টিকটক হৃদয়, মো. হাসান, মো. মুসা, আয়েশা সিদ্দিকা মি-ন্নি, রাফিউল ইসলাম রাব্বি, মো. সাগর এবং কামরুল ইসলাম সাইমুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *