আস্ত সা`প গলায় পেঁচিয়ে বাসের আসনে যাত্রী

ক`রোনাভা`ইরাসের কারণে গণপরিবহণে মাস্ক পরতে বলা হয়েছে। তবে সার্জিকাল মাস্ক পরার বাধ্যবাধকতা নেই। কেউ যদি বাড়িতে তৈরি মাস্ক পরেন বা রুমাল কিংবা অন্য কাপড় মাস্ক হিসেবে ব্যবহার করেন, আপত্তি নেই।গত সোমবার একজন যাত্রী এই ‘স্বাধীনতা’কে আরেকটু বাড়িয়ে নিয়েছিলেন।সুইন্টন থেকে ম্যাঞ্চেস্টারের বাসে সহযাত্রীরা কেউ কেউ তাকে দেখে ভেবেছিলেন, তিনি হয়তো একটা চটকদার ছাপার বড় রুমাল জড়িয়ে রেখেছেন গলায়, মুখে।দেখতে অবিকল সাপের চামড়ার মতো। তারপর যাত্রীরা আবিষ্কার করেন, রুমালের লেজটা জানালার রেলিংয়ে ঝুলছে এবং নড়ছে। ভদ্রলোকেরও তা নিয়ে কোনো মাথাব্যথা নেই।এ ঘটনা দেখে বাসের লোক মূর্ছা গেছে, এমন ঘটনা অবশ্য ঘটেনি।

যার সাপ, তিনি গলায় জড়াবেন নাকি মুখে প্যাঁচাবেন, তার ব্যাপার— এই রকমই ভাব বেশিরভাগ যাত্রীর।কিন্তু গ্রেটার ম্যাঞ্চেস্টার পরিবহণ কর্তৃপক্ষ বলছে, করোনাভাইরাস যে সাপে ভয় পায়, এমন তো প্রমাণ হয়নি। ততদিন পর্যন্ত মাস্ক পরতে হবে, সাপ দিয়ে মুখ ঢাকা যাবে না!সূত্র : আনন্দবাজার

আরও পড়ুনঃটবেলায় পর্দায় সাদেক বাচ্চুকে দেখে বড় হলেও বেশ কিছু চলচ্চিত্রে তাঁকে বাবা হিসেবে পেয়েছেন নায়ক বাপ্পী চৌধুরী। পর্দার বাইরেও বাবা-ছেলের মতো সম্পর্ক ছিল তাঁদের। সাদেক বাচ্চুর মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছেন বাপ্পী। নিজেকে অসহায় মনে হচ্ছে তাঁর।আজ দুপুরে এনটিভি অনলাইনকে বাপ্পী চৌধুরী বলেন, ‘সাদেক বাচ্চু সব সময় ব্যাটা বলে ডাকতেন আমাকে। আমি উনাকে বাবা ডাকতাম।

বাবার মতোই পরামর্শ দিতেন। চলচ্চিত্র ও আমার ব্যক্তিজীবনের সব বিষয়ে বাবার কাছ থেকে আমি পরামর্শ পেয়েছি।সর্বশেষ ‘শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ টু’ ছবিতে বাপ্পীর শ্বশুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাদেক বাচ্চু। লম্বা সময় একসঙ্গে থেকেছেন তাঁরা। এ সময়ের স্মৃতিচারণ করে বাপ্পী চৌধুরী বলেন, ‘শুটিংয়ে বেশ কয়েক দিন আমাদের একসঙ্গে থাকতে হয়েছে। শুটিং শেষে উনি আমার রুমে চলে আসতেন, তারপর গভীর রাত পর্যন্ত চলত আড্ডা। শুটিং করে ঢাকায় ফেরার সময় আমি প্রতিদিনই উনাকে বাসায় পৌঁছে দিতাম।

আগে শুটিং শেষ হলেও তিনি আমার জন্য অপেক্ষা করতেন। শুধু তা-ই নয়, যখন কোনো শুটিং হতো না, তখনো আমরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফোনে কথা বলতাম।’বাপ্পী চৌধুরী আরো বলেন, ‘বাবা সব সময় আমাকে টাকা জমাতে বলতেন। কোনো ছবির সাইনিং মানি পেলে তা দিয়ে ফ্ল্যাট বুকিং দিতে বলতেন। আমি উনাকে বলেছিলাম, বাকি টাকা কীভাবে দেব। তিনি বলতেন, বাকি টাকা এভাবেই দিতে পারবে, আগে বুকিং করো। উনার কথা আমি সব সময় মেনে চলার চেষ্টা করেছি। আজ বাবাকে হারিয়ে নিজেকে বড় অসহায় মনে হচ্ছে।’আজ সোমবার দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন সাদেক বাচ্চু।

তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর।এনটিভি অনলাইনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী। তিনি বলেন, ‘সকাল থেকে দুবার তাঁর হার্ট ফেল হয়েছে। দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেছি আমরা।’ঠাণ্ডা-জ্বরে আক্রান্ত হলে গত ৭ সেপ্টেম্বর সাদেক বাচ্চু ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। এরপর ১১ সেপ্টেম্বর তাঁর করোনা পরীক্ষার ফল পজিটিভ আসে। এক দিন পর তাঁর অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।সেখানে তিনি কোভিড ইউনিটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি ছিলেন।

সাদেক বাচ্চু বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম খল-অভিনেতা। মঞ্চ ও টিভি নাটক থেকে চলচ্চিত্রে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। ১৯৭৭-৭৮ সালে বিটিভির নিয়মিত শিল্পী হিসেবে অভিনয় শুরু করেন সাদেক বাচ্চু। বিটিভিতে তাঁর অভিনীত প্রথম নাটক ‘প্রথম অঙ্গীকার’।অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। নায়ক আলমগীর পরিচালিত ‘একটি সিনেমার গল্প’ চলচ্চিত্রের জন্য এই পুরস্কার অর্জন করেন সাদেক বাচ্চু।১৯৮৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘রামের সুমতি’ চলচ্চিত্রে প্রথম অভিনয় করেন সাদেক বাচ্চু। তিনি বাংলাদেশ ডাক বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা

Author: Rijvi Ahmed

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *