সিটি কর্পোরেশনে চলাচল করতে হয় বাঁশের সাঁকো ও নৌকা দিয়ে

নামেই সিটি করপোরেশনের অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু যাতায়াতের একমাত্র ভরসা বাঁশের সাঁকো। এমনই হাল ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে যুক্ত হওয়া বেশিরভাগ নতুন ওয়ার্ডের। প্রায় চার বছরেও নূন্যতম নাগরিক সুবিধা না পাওয়ায় ক্ষোভ জানালেন এসব এলাকার বাসিন্দারা। মেয়র বলছেন, জানুয়ারি নাগাদ নতুন মেগা প্রকল্পের আওতায় শুরু হবে উন্নয়নের কাজ।

মহানগরীর তকম লেগেছে বছর পেরিয়েছে। তবুও ভাগ্য বদলায়নি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নতুন সংযুক্ত ওয়ার্ডগুলোর।

রাস্তা নেই, নেই ব্রিজ। পারাপারে বাঁশের সাঁকোই ভরসা তারও অবস্থা নড়বড়ে। অথচ কাগজে কলমের হিসেবে ঢাকায় থাকেন তারা।

স্থানীয় একজন বলেন, নৌকা ছাড়া চলতেই পারি না এখানে। এখানে কোন রাস্তা নেই।

আরেকজন বলেন, ঢাকা ভেতরে নৌকা দিয়ে চলতে হয়, এটা মানুষ বিশ্বাসই করে না।

দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে নতুন ওয়ার্ডগুলোর অধিকাংশেরই একই অবস্থা। মিলছেনা নূন্যতম নাগরিক সুবিধা। বিশেষ করে ৬৯ থেকে ৭৫ নং ওয়ার্ডগুলো রয়েছে উন্নয়নের নাগালের বাইরে।

কোথাও আবার ঝুলে আছে উন্নয়নের মুলা। যা আবার ভোগান্তি বাড়িয়েছে বহুগুণ।

এক পথচারী বলেন, এই এখান দিয়ে চলাচল করতে অনেক কষ্ট হয়। আর বৃষ্টি হলে তো হাট সমান কাঁদা জমে থাকে রাস্তায়।

নগর পিতা বলছেন, নতুন এই ওয়ার্ডগুলোকে নিয়ে ভাবা হচ্ছে নতুন কিছু । দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখতে অপেক্ষা করতে হবে জানুয়ারি পর্যন্ত।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, ৩০ বছর মেয়াদি দীর্ঘ মেয়াদি মহাপরিকল্পনা আমরা প্রণয়ন করছি। সেটার আওতায় আমরা নতুন এলাকাগুলো সাজিয়ে তুলতে চাচ্ছি। আগামী বছরের পর থেকে সেখানে এটি ভিত্তি রচনা করতে পারবো। দৃশ্যমান অনেক কিছুই তখন জনগণ দেখতে পাবে।

২০১৬ সালের মে মাসে ঢাকার আশপাশের ইউনিয়ন সিটি করপোরেশনের সঙ্গে যুক্ত করে দুই সিটি সম্প্রসারণ করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *