প্রমোশন না দিলে করোনা ছড়িয়ে দেবার হুমকি দিলেন শিক্ষক

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকের আপত্তিকর হুমকি নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। প্রফেসর পদে সুপারিশ না করলে বিভাগে করোনা ছড়িয়ে দেওয়া হবে বলে হুমকি দিয়েছেন ওই শিক্ষক। বিভাগের চেয়ারম্যানকে এমন হুমকি দিয়েছেন ড. মো. নাজমুল হাসান। তিনি যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জিন প্রকৌশল ও জৈব-প্রযুক্তি বিভাগের এসোসিয়েট প্রফেসর।

শরীয়তপুর সদর উপজেলার তুলাসার ইউপিতে স্বামী ছেড়ে সৎ ছেলেকে বিয়ে করেছেন এক মা। গত ২৪ আগস্ট তাদের এই বিয়ে হয়।জানা যায়, সদর উপজেলার তুলাসার ইউপির লতাবাগ গ্রামের নুর হোসেন তালুকদার ১৮ বছর আগে রুবি বেগমকে বিয়ে করে ঢাকার ভাড়া বাসায় থাকতেন। তাদের ঘরে দুটি ছেলে হয়। বিয়ের পাঁচ বছর পর রুবি বেগম নুর হোসেন তালুকদারের ঘরে তার দুই ছেলে রেখে অনত্রে বিয়ে করে চলে যায়। তার কিছুদিন পর দুই ছেলে হারিয়ে যায়। পরে নুর হোসেন তালুকদার দ্বিতীয় বিয়ে করেন চাঁদপুরের সিদ্দিক শেখের মেয়ে সুমিকে। সুমির সঙ্গে এগারো বছর সংসারে ৮ বছরের একটি মেয়ে সন্তান রয়েছে নুর হোসেন তালুকদারের ঘরে।

নুর হোসেন তালুকদার বারো বছর পর এই বছরের জুন মাসে তার প্রথম স্ত্রীর ঘরের বড় ছেলে সজল তালুকদারকে খুঁজে পেয়ে তার ঢাকার ভাড়া বাসায় নিয়ে যান।সেখানে সুমির সঙ্গে সজলের প্রেমের সম্পর্ক হয়। তাদের মাঝে শারীরিক সম্পর্ক হতে থাকে। পরে তাদের দুজনের ইচ্ছায় এ বছরের ২৪ আগস্ট ঢাকার এক কাজী অফিসে বিয়ে হয়। বিয়ে করে বুধবার ২৬ আগস্ট গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুরের লতা বাগ গ্রামে উঠায়, বিয়ের গুঞ্জন শুনে এলাকার মানুষ ভিড় জমাতে থাকে দেখার জন্য।এ বিষয়ে সুমি বেগম বলেন, আগের স্বামী নুর হোসেন তার ছেলে সজলকে তিনমাস আগে খুঁজে পেয়ে আমাদের বাসায় আনে।

আমাদেরকে ঘরে আটকিয়ে রেখে সে চলে যেতো জুয়া খেলতে আমরা দুজন দিন-রাত একা থাকতাম। পরে সজল আমাকে প্রেমের প্রস্তাব দিলে রাজি হই। মাঝেমধ্যে আমাদের মাঝে শারীরিক সম্পর্ক হইতো। এরপর আমরা বিয়ে করি।ছেলে সজল তালুকদার বলেন, সুমি ছিলো আমার বাবার স্ত্রী। আমরা দুজনে বাসায় বসে সময় কাটাতাম আমার সুমিকে ভালো লেগে যায়। প্রেমের প্রস্তাব দেই আমি পরে আমরা বিয়ে করে আমার গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুরে চলে আসি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *