মাত্র ১০ হাজার টাকা বিনিয়োগে যেভাবে পাবেন ১ কোটি টাকা

নিয়মিত অফিসে বসে জব করা তারপর অবসর। ক্যালেন্ডারের পাতা পাল্টনোর সাথে সাথে ফুরিয়ে আসে চাকরি করার মেয়াদ। অবসরে যাওয়ার পর জীবনের বাকি সময়টা আরামে কাটাতে চায় না কে? তবে অনেক সময় অনেকে ভুল জায়গায় বিনিয়োগ করার ফলে নিজের শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে হয়ে যান নিঃস্ব। তবে এবার সেটা থেকে মুক্তি পাওয়া যাচ্ছে।

যৌবনের সঞ্চয়টুকু যার শেষ ভরসা হিসেবে কাজ করে তার জন্য সামনে এসেছে নতুন একটি ফান্ডিংয়ের ব্যবস্থা। নির্ভরযোগ্য লেনদেন এবং নিরাপদ সঞ্চয় হিসেবে পাবলিক প্রভিটেন্ট ফান্ড অর্থাৎ পিপিএফে বিনিয়োগে লাভের মুখ দেখতে পারেন আপনিও।

পিপিএফে বিনিয়োগ করলে কীভাবে লাভবান হবেন আপনি? সুবিধাগুলোই বা কী কী রয়েছে এখানে বিনিয়োগ করলে? চলুন দেখে নেয়া যাক এক নজরে।

উচ্চ সুদের হারঃ অন্যান্য ব্যাংকের ফিক্সড ডিপোজিটে আপনি সর্বোচ্চ সুদের হার পেতে পারেন ৬ এর কাছাকাছি। তবে পিপিএফে সেটা রয়েছে ৭.১ এ। অর্থাৎ অন্যান্য ব্যাংকের তুলনায় কমপক্ষে ১ শতাংশ সুদ বেশি পাওয়া যাবে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন গত কয়েক বছর ধরে পিপিএফ বিনিয়োগ খাতে যথেষ্ট সফলতা দেখিয়েছে।

কর মুকুবঃ অন্যান্য জায়গায় বিনিয়োগ করলে গুনতে হয় চড়া কর। তবে পিপিএফে রয়েছে করমুক্ত বিনিয়োগের সুবিধা। কোন প্রকার কর ব্যতিতই বিনিয়োগ করা যাবে পিপিএফে। ফলে বাড়তি কর থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

কোটিপতি হবার সুযোগঃ প্রতি অর্থ বছরে যদি একজন গ্রাহক পিপিএফে নিজের অ্যাকাউন্টে সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ দেড় লক্ষ টাকা টাকা বিনিয়োগ করে। আর যদি সুদের হার ৭.১ শতাংশ হয় তাহলে মাত্র ১০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করে ২৮ বছরে ১ কোটি টাকা ফেরত পাবে। তাই এখানে কোটিপতি হবার দুর্দান্ত সুযোগ রয়েছে।

ঋণ সুবিধাঃ হঠাৎ করে কোনো বিশেষ প্রয়োজনে ঋণ নেবার প্রয়োজন হতেই পারে। পিপিএফ অ্যাকাউন্ট দিবে সেই সুবিধাও। কোন ব্যক্তি যে পরিমান টাকা জমা রাখবে তার ২৫ শতাংশ টাকা চাইলেই সেই গ্রাহক ঋণ নিতে পারবে। সুদের এই টাকা কীভাবে পেতে পারে একজন গ্রাহক সেটা জানতে হলে অবশ্যই জানতে হবে পিপিএফ অ্যাকাউন্টে সরকার কিভাবে টাকা জমা করে। এবং সেই তাকার হিসেব করা হয়ে থাকে বছর শেষ হলে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *