এবার ২০০ কিমি গতিবেগে ধেয়ে আসছে ‘আম্ফান’

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফানে’ রূপ নিয়েছে। এটি বঙ্গোপসাগর থেকে অগ্রসর হচ্ছে। ভারতের আবহাওয়া অধিদফতর বলছে, আম্ফান সর্বোচ্চ ২০০ কিলোমিটার বেগে প্রবাহিত হতে পারে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর বলছে, আজ দুপুর পর্যন্ত আম্ফান ঘূর্ণিঝড় রূপে ছিল। তখন এর সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ৮৮ কিলোমিটার। তবে দুপুর ৩টার তথ্যের ভিত্তিতে আবহাওয়া অফিস বলছে, ঘূর্ণিঝড়টি প্রবল রূপ ধারণ করেছে। এর সর্বোচ্চ গতিবেগ পৌঁছেছে ১৭৭ কিলোমিটারে। অর্থাৎ ঘূর্ণিঝড়টি খুব দ্রুত শক্তি সঞ্চয় করে প্রবল আকার ধারণ করেছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুর রহমান বলেন, আগামী ১৯ মে দিবাগত রাতে ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলাগুলোতে আঘাত হানতে পারে। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সরকারের প্রস্তুতি রয়েছে।

আসন্ন এ ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলা এবং করণীয় বিষয়ে রোববার দুপুরে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক জরুরি সভায় সচিব কবির বিন আনোয়ার বলেন, ঘূর্ণিঝড়টি ক্রমে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে যা খুলনা ও তৎসংলগ্ন অঞ্চলে আঘাত করতে পারে। তবে বায়ু প্রবাহের পরিবর্তনের ভিত্তিতে এটি উড়িষ্যা ও সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ উপকূলেও আঘাত করতে পারে।

তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় পরিস্থিতি প্রতিনিয়ত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আগামীকাল নাগাদ আঘাত হানার সম্ভাব্য স্থান নিশ্চিত হওয়া যাবে। তবে ঘূর্ণিঝড় আঘাত না হানলেও উপকূলীয় অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাত ও উঁচু জোয়ারের সম্ভাবনা রয়েছে। এজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের অনুরোধ করছি।

তিনি আরো বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের দরুণ বাংলাদেশের খুলনা বিভাগীয় উপকূলীয় অঞ্চল অতি ঝুঁকিপূর্ণ, বরিশাল বিভাগীয় উপকূলীয় অঞ্চল মাঝারী ঝুঁকিপূর্ণ এবং চট্টগ্রাম বিভাগীয় উপকূলীয় অঞ্চল কম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *