বাংলাদেশের কোথায় আফ্রিদির দ্বিতীয় বাড়ি

পাকিস্তানের হয়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে অনেকবারই ঢাকায় এসেছেন শহীদ আফ্রিদি। এসেছেন বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) খেলতেও। বাংলাদেশের প্রতি যেমন ভালবাসা আছে আফ্রিদির, তেমন বাংলাদেশের মানুষের কাছ থেকে পেয়েছেনও অনেক বেশি ভালবাসা ও সম্মান।

এই করোনা কালে পাকিস্তানে অসহায় মানুষের পাশে শুরু থেকেই আছেন সাবেক এই অধিনায়ক। আফ্রিদি ফাউন্ডেশন কাজ করে যাচ্ছে দিনরাত। এবার বাংলাদেশের অসহায় মানুষের পাশে দাড়ালেন আফ্রিদি ফাউন্ডেশন। মুশফিকের নিলামে উঠা ব্যাটটি কিনে তিনি মানুষের পাশে দাড়ালেন।এর আগে গত বছর বিপিএল খেলতে এসে আফ্রিদি ঘুরতে যান লালবাগ কেল্লায়। মোঘল সুবাদারদের সৃষ্টি ঐতিহ্যবাহী এই স্থানে গিয়ে মুগ্ধ হলেন আফ্রিদি। বরাবরই বাংলাদেশের সাধারণ জনগনের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় সিক্ত হন বলে জানালেন আফ্রিদি। তাই লাল সবুজের দেশটিকে নিজের দ্বিতীয় বাড়ি বলেই মনে করেন এই পাকিস্তানি অলরাউন্ডার।

বিপিএলের দ্বিতীয় আসর ছাড়া প্রতি আসরেই খেলেছেন আফ্রিদি। আফ্রিদি লালবাগ কেল্লায় গিয়ে নিজের মুগ্ধতার কথা,‘বাংলাদেশে আমি সবসময় উপভোগ করি। এটা আমার দ্বিতীয় বাড়ি। আমি সবসময় এখানে ক্রিকেট খেলতে পছন্দ করি। এখানকার জনগণের কাছ থেকে আমি সবসময় আমি ভালো সাড়া, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা পাই। এ কারণেই আমি এখানে খেলতে ভালবাসি। এবং প্রতিবছর খেলতে চলে আসি।’

দেশের বাইরে খেলতে গেলে সবচেয়ে বড় সমস্যা হয় কন্ডিশন ও খাবার দাবারে। তবে উপমহাদেশের দেশগুলোতে কন্ডিশনের তেমন পার্থক্য না থাকায় এ নিয়ে ভাবতে হয়না আফ্রিদিকে। যদিও দুই দেশের সংস্কৃতি সম্পূর্ণই আলাদা। তারপরও দুই দেশের খাবারে অনেক মিল রয়েছে। তাই এ দেশের খাবার খেতে কোন সমস্যায় পড়তে হয়না আফ্রিদিকে।

আফ্রিদি আরো বলেন,‘পাকিস্তানি খাবারের সঙ্গে এখানকার খাবারের অনেক মিল আছে। তেমন কোন পার্থক্য নেই।’ঢাকার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত মুঘল দুর্গ স্থাপনা অন্যতম নিদর্শন লালবাগ কেল্লা। মুঘল সবাদারদের এ স্থাপনার সৌন্দর্য্যেও মুগ্ধ আফ্রিদি,‘এটা খুব ভালো। এটা একটি ঐতিহাসিক স্থানও বটে। ঢাকা ঘুরে দেখার জন্য আমার মনে হয় এটা আমার জন্য এবং আমার দলের জন্য খুব ভালো। এটা একটা সম্প্রদায়কে আকর্ষণের দারুণ একটা সুযোগ।’ যোগ করেন আফ্রিদি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *