জে’নে নিন প্রকৃত ভদ্র মেয়ে চেনার ৮টি বৈশিষ্ট্য

ভদ্র মে’য়েরা হচ্ছে সমাজে’র সৌন্দর্য। একজন ভদ্র মে’য়ে (gentle girl) তার পরিবারের ও সমাজে’র জন্য গর্ব।

বর্তমান আধুনিক যুগে প্রায় সব মে’য়েই নিজেকে অত্যাধুনিক মনে করে থাকেন।

মূ’লত সে কারণেই অনেকেই বিভিন্ন ধ’রণের কুরু’চিপূর্ণ Cloth পরে নিজেকে অত্যাধুনিক হিসেবে উপস্থাপনের নোং’রা খেলায় মেতে রয়েছে। তাই ভদ্র মে’য়ে মানুষ চিনে রাখা সবার জন্যেই দরকার।

তাই ভদ্র মে’য়েদের কিছু কমন বৈশিষ্ট্য নিচে তুলে ধ’রা হলো:১) ভদ্র মে’য়েরা (gentle girl) সর্বপ্রথম তাদের পোশাক নিয়ে খুব সচে’তন থাকে।

এমন কিছু পরে না যাতে করে বাহিরের কেউ চোখ তুলে তাকাতে সাহস করে। অনেকে বোরখা পরতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।

২) ভদ্র মে’য়েরা (gentle girl) প্রেমের ব্যাপার নিয়ে খুব সিরিয়াস থাকে। তারা সচারচর প্রেমে জড়াতে চাই না, কিন্তু যদি কারো সাথে প্রেমে জড়িয়ে যায়, তাহলে মন প্রা’ণ দিয়ে চেষ্টা করে তা টিকিয়ে রাখতে।

৩) ভদ্র মে’য়েরা সবসময় ব’ন্ধু, পরিবার এবং বয়ফ্রেন্ডকে আ’লাদাভাবে গু’রুত্ব দেয়। একটির জন্য অপরটির উপর প্র’ভাব পরুক তা তারা চাই না। যার জন্য তাদের ঝামেলা পোহাতে হয় বেশি।

৪) ভদ্র মে’য়েদের রাগ একটু বেশি। যার উপর রেগে যায় তাকে মুখের উপর সব বলে দেয়। মনে কোনও রকম রাগ,

হিংসে লুকিয়ে রাখে না। এতে অনেকের কাছে ঝ’গড়াটে উপাধিও পেয়ে বসে।

৫) ভদ্র মে’য়েদের (gentle girl) রাগের ঝামেলা পোহাতে হয় বিশেষ করে তাদের বয়ফ্রেন্ডকে।

এরা রেগে থাকলে অযথা বয়ফ্রেন্ডকে ঝাড়ে। পরবর্তীতে নিজেদের ভু’ল বুঝতে পেরে সরি বলে। যে মে’য়ে তার বয়ফ্রেন্ডকে সরি বলে তাহলে বুঝতে হবে সে তার বয়ফ্রেন্ডকে খুব বেশি ভালোবাসে।

৬) ভদ্র মে’য়েরা (gentle girl) সাধারণত ফেসবুকে ছবি আপলোড দেয় না। যদি দেয় তাহলে প্রাইভেসি দিয়ে রাখে। ফেসবুকে কতিপয় লুলু পুরু’ষ থেকে তারা ১০০ হাত দূ’রে থাকে।

৭) ভদ্র মে’য়েদের ব’ন্ধু/বান্ধবের সংখ্যা খুব সীমিত থাকে। ভদ্র মে’য়েরা আড্ডা বাজিতে খুব একটা যেতে চায় না।

যার জন্য তাদের ব’ন্ধু/বান্ধব থেকে ভাব্বায়ালি/আনকালচার খেতাব পেতে হয়।৮) ভদ্র মে’য়েদের (gentle girl) কবিতা লেখার প্রতি আ’গ্রহ বেশি। তারা তাদের লেখা কবিতা সচরাচর কাছের মানুষ ছাড়া কাউকে দেখাতে চায় না।

ভদ্র মে’য়েরা সাধারণ ঘর কুনো স্বভাবের বেশি হয়। ভদ্র মে’য়েদের কাছে পরিবারের সম্মানটুকু সবার আগে। তারা পরিবারের সম্মানের বি’রুদ্ধে কোনও কাজ কখনও করে না।

Author: Rijvi Ahmed

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *