লাস্যময়ী থেকে সনাতনী, দীপাবলির শুভেচ্ছায় নুসরাত

গত কালই তিনি ‘ব্যাড বয়’ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় উদ্দাম। তাঁর আবেদনে উত্তপ্ত সামাজিক পাতা। তাঁর গ্ল্যামা’রে হৃৎস্পন্দন বেড়েছে লক্ষ পুরুষের। ধনতেরাসের দিন সেই নুসরাত জাহান ফের সনাতনী। রানি সালোয়ারে জ’রির জমকালো কাজ। কাঁধ কামড়ে পড়ে থাকা হলুদ বেনারসির দোপাট্টা। কানে ঝুমকো। গলায় চওড়া হার। সাংসদ-তারকা অ’পরূপা!

হাতের থালায় প্রদীপ। এ ভাবেই নুসরত অনুরাগীদের শুভেচ্ছা জানালেন ধনতেরাস, দীপাবলির। একই সঙ্গে বার্তা দিলেন, আতসবাজির বদলে আলোর দীপাবলি পালনের।

বিয়ের পর থেকেই নিজের ধ’র্মের পাশাপাশি স্বামীর ধ’র্মকেও সমান সম্মান দিয়েছেন সাংসদ। শ্রদ্ধা-সম্মানের সঙ্গে মেনে চলেছেন হিন্দু রীতি-রেওয়াজ। মৌলবীদের ফতোয়া, সমাজের বিতর্ককে পাশে সরিয়ে সিঁথিতে সিঁদুর পরা থেকে রথ টানা, দুর্গাপুজোয় ধুনুচি নাচ, অষ্টমীর অঞ্জলি, ঢাক বাজানো, দেবীবরণ, সিঁদুর খেলা– কিছুই বাকি রাখেননি তিনি। এ বার তাঁর আয়োজন দীপাবলি উদযাপনে।

তাঁর এই সর্বধ’র্মসমন্বয় নিয়ে যদিও বারে বারে সোচ্চার হয়েছেন কট্টরপন্থীরা। তারকা অ’ভিনেত্রী সবাইকে ধ’রাশায়ী করেছেন অকাট্য যু’ক্তিতে, ‘‘আমি ভগবানের স্নেহধন্য। তাঁর বিশেষ সন্তান। ভালাবাসা আর মানবিকতার উপর কাউকে আমি জায়গা দিই না। আমি খুব খুশি। এবং কোনও বিতর্কেই আমা’র কিচ্ছু যায়-আসে না। আমা’র কাছে সব ধ’র্মই সমান।’’ভিক্ষা করে জমানো টাকা ম’সজিদের উন্নয়নে দান করলেন তিনি

শা’রীরিক অ’সুস্থতায় ভালো’ভাবে হাঁটতে পারেন না। কখনো ভ্যানে বা ক্রাচে ভর করে ভিক্ষা করেন খালেক হাওলাদার (৫০)। খুলনার নগরীর বিভিন্ন স্থানে ভিক্ষাবৃত্তি করে চলে তার সংসার। ঘরবাড়ি নেই, রাতে থাকেন পলিথিন ঘেরা ভ্যানগাড়িতে।

নুসরাত
আজ শুক্রবার এই মানুষটি নগরীর সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকায় ছানিয়াতুল জামে ম’সজিদের উন্নয়নে দান করলেন ভিক্ষা করে জমানো ২০ হাজার টাকা। তার বাড়ি নগরীর গোয়ালখালি এলাকায়।

জানা যায়, খালেক হাওলাদার একসময় ঢাকায় কাপড়ের ব্যবসা করতেন। কিন্তু স্ত্রী’র মৃ’ত্যুর পর তিনি মা’নসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েন। এক পর্যায়ে শা’রীরিক অ’সুস্থ হয়ে পড়লে স্বাভাবিকভাবে হাঁটার শক্তি হা’রিয়ে ফে’লেন।

শুক্রবার ম’সজিদে জুম্মা’র নামাজ পড়তে এসে উন্নয়ন কাজ দেখে তিনি তার জমানো ২০ হাজার টাকা দান করেন। এদিকে, একজন ভিক্ষুক হয়ে ম’সজিদে এতো টাকা দান করায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সূত্রঃ বিডি প্রতিদিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *