এবার ঘরও ভাঙছে ট্রাম্পের, তালাকের অপেক্ষায় মেলানিয়া!

মার্কিন নির্বাচনে হেরে এমনিতেই মন ভালো নেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের। এরই মধ্যে শোনা গেল তার বৈবাহিক জীবন নিয়ে চরম হতাশাজনক এক খবর। ব্রিটিশ গণমাধ্যম ডেইলি মেইল জানাচ্ছে, ট্রাম্পকে তালাক দেওয়ার জন্য অধীর আগ্রহে দিন গুনছেন মেলানিয়া।

এর আগে ২০১৬ সালে ট্রাম্পের নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার খবরে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন মেলানিয়া ট্রাম্প। এমন একটা কথা সে সময় বেশ জোরেশোরেই শোনা গেছে। ট্রাম্প নির্বাচনে জিততে পারেন- এটা ছিল মেলানিয়ার কাছে অভাবনীয়। অন্যদিকে ট্রাম্পের হেরে যাওয়ার পর এখনও মুখ খোলেননি মার্কিন ফার্স্টলেডি মেলানিয়া ট্রাম্প।

এদিকে কোনো কোনো খবরে দাবি করা হয়েছে- হোয়াইট হাউস থেকে বের হয়ে যাওয়ার জন্য প্রতিটি মুহূর্ত অপেক্ষা করছেন মেলানিয়া। তারপরই ট্রাম্পকে দেবেন তালাক। ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় ট্রাম্পকে তালাক দিলে যন্ত্রণা বাড়তে পারে। মার্কিন রাষ্ট্রযন্ত্রের কলকাঠি নেড়ে মেলানিয়াকের শাস্তি এবং শিক্ষা দেওয়ার রাস্তা হয়তো বের করতে পারেন ট্রাম্প। এমনটাই আশঙ্কা করছেন মেলানিয়া। তাই হোয়াইট হাউস থেকে বের হয়ে যাওয়ার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন এবারে। এমনটাই দাবি করেন ট্রাম্পের সাবেক সহযোগী ওমারোসা ম্যানিগোল্ট নিউম্যান। তিনি বলেন, ‘ট্রাম্প দম্পতির ১৫ বছরের বৈবাহিক জীবন কার্যত শেষ হয়ে গেছে।’

এদিকে আরেক সাবেক সহযোগী স্টেফাইন ওকঅফ বলেন, হোয়াইট হাউসে পৃথক শয়নকক্ষে থাকেন ট্রাম্প দম্পতি। তাদের দাম্পত্য জীবনকে ‘এক ধরনের বাণিজ্যিক লেনদেনভিত্তিক’ সম্পর্ক হিসেবেও অভিহিত করেন ওকঅফ।

২০১৬ সালে ক্ষমতা গ্রহণের দিনটিতে হোয়াইট হাউসে পৌঁছে মেলানিয়াকে পেছনে ফেলে ট্রাম্পের হনহন করে হেঁটে যাওয়ার দৃশ্য হয়তো কেউ ভোলেননি। সে সময় অপ্রস্তুত মেলানিয়াকে স্বাগত জানিয়ে হোয়াইট হাউসে নিয়ে ঢুকেছিলেন বারাক ওবামা। এ ছাড়া নিউইয়র্ক থেকে হোয়াইট হাউসে এসে উঠতে পাঁচ মাস সময় নিয়েছিলেন মেলানিয়া। প্রকাশ্যে বলা হয়েছিল, ট্রাম্প এবং মেলানিয়ার ছেলে ব্যারনের স্কুল শেষ করতে এ সময় লেগেছে।

কিন্তু ওকঅফ বলেন, আসলে সে সময় দর-কষাকষি করেছেন মেলানিয়া। বিয়ে ভেঙে গেলেও ব্যারন যেন ট্রাম্পের সম্পদের সমান অধিকার পায়, তাই নিয়ে চুক্তি করেছেন তিনি। ট্রাম্পের দুর্বলতা তুলে ধরে অথবা সমালোচনা করে কোনো স্মৃতিকথা লিখতে কিংবা সাক্ষাৎকার দিতে পারবেন না। ট্রাম্প এমনই এক চুক্তি করেছিলেন দ্বিতীয় স্ত্রী মারালা মেপেলসের সঙ্গে। মেপেলেস তাই চুপ হয়ে গেছেন। এদিকে মার্কিন আইনজীবী ক্রিস্টিনা প্রিভাইট জানান, এমনই এক চুক্তির পথে হয়তো হাঁটতে পারেন মেলানিয়া।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *