১০ টাকার গরিবের ডাক্তার এবাদুল্লাহ!

সাতক্ষীরা এলাকায় ‘গরিবের ভরসা’ ও ‘১০ টাকার ডাক্তার’ হিসেবে পরিচিত চিকিৎসক, জেলার অবসরপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ও সাতক্ষীরা বিএমএ’র সিনিয়র সহ-সভাপতি ডা. মো. এবাদুল্লাহ।

করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি নিয়মিত চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছিলেন। বর্তমানে তাঁর করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। তিনি সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন।

ডাক্তার এবাদুল্লার ছেলে নিয়াজ ওয়াহিদ বলেন, বাবাকে করোনাকালে চিকিৎসা সেবা দিতে নিষেধ করতাম, কিন্তু শুনতেন না। তিনি বলতেন আমি চিকিৎসা না করলে যারা আমাকে ভালোবেসে অনেক দূর থেকে চিকিৎসা নিতে আসে, তারা যাবেন কোথায়।

তিনি বলেন, বাবা যতই অসুস্থ হোক না, মানুষের চিকিৎসা সেবা না করতে পারলে যেন অস্থির হয়ে পড়েন। গত ৪ জুলাই বিকাল ৪টার পর বাবা তার নিজ চেম্বারে রোগী দেখতে দেখতে অসুস্থ হয়ে পড়লে আমরা দ্রুত তাকে সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালেরে আইসিইউতে ভর্তি করি।

পরে মেডিক্যাল কলেজের মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. কাজী আরিফ আহম্মেদ সিটি স্ক্যান করে তার ফুসফুসে সমস্যা পান।

গতকাল বৃহস্পতিবার তার করোনাভাইরাস পরীক্ষা করে পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। তাকে সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ ইউনিটে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, এখন আগের চেয়ে ভালো আছেন ডা. এবাদুল্লাহ। দেশবাসীর কাছে তিনি বাবার জন্য দোয়া চেয়েছেন।তিনি সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন। ডাক্তার এবাদুল্লার ছেলে নিয়াজ ওয়াহিদ বলেন, বাবাকে করোনাকালে চিকিৎসা সেবা দিতে নিষেধ করতাম, কিন্তু শুনতেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *