এক বউকে নিয়ে টানাটানি দুই স্বামীর

নিলুফা ইয়াসমিন নামে এক নারীর বর্তমানে দুই স্বামীর সাথে সংসার করছেন। নিলুফা ইয়াসমিন এর বাড়ি মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় । এ ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার নওগাঁ গ্রামে।শনিবার (৯ নভেম্বর) দুপুরে ভুক্তভোগী স্বামী শহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের কাছে কান্নাজড়িত কণ্ঠে তার স্ত্রীকে ফেরত পেতে সহায়তা কামনা করেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।মৃ’ত বাচ্চু মাতব্বারের মেয়ে নিলুফা ইয়াসমিন উপজেলার নওগাঁ গ্রামের বাসিন্দা।

দীর্ঘ ১৫ বছর পূর্বে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার পূর্ব চাঁন্দরা গ্রামের মৃত হাজী শফিজুদ্দিনের ছেলে ও কালিয়াকৈর পৌরসভার কাউন্সিলর মো: সাইফুল ইসলামের ছোট ভাই মো: মফিজুল ইসলামের সাথে বিয়ে হয়।মো: শহিদুল ইসলাম বাড়ি সাটুরিয়া উপজেলার কাওন্নারা গ্রামে। শহিদুল ইসলামের সাথে নিলুফা ইয়াসমিনের পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।

মো: শহিদুল ইসলাম এর সাথে পরকীয়া সম্পর্কের কারণে গত বছরের ১৭ই মার্চ তারিখে নিলুফা ইয়াসমীন প্রথম স্বামী মফিজুল ইসলামকে তালাক দেয়। একই বছরের বছরের ১১ জুলাই শহিদুল ইসলামকে কাজী অফিসে রেজিস্টার করে বিয়ে করেন।নিলুফা ইয়াসমিন এক বছর দ্বিতীয় স্বামী শহিদুলের ঘর সংসার করার পর একপর্যায়ে শহিদুলকে তালাক না দিয়ে পুনরায় প্রথম স্বামী মফিজুল ইসলামের ঘর সংসার করছে বলে অ’ভিযোগ ওঠে।

বর্তমানে নিলুফা ইয়াসমীন দ্বিতীয় স্বামী শহিদুলের সাথে কোন সম্পর্ক রাখছেন। দ্বিতীয় স্বামী ফিরে পেতে চেষ্টা চালাছেন।প্রথম স্বামী মফিজুল ইসলাম এর সাথে নিলুফা ইয়াসমীন এখন সংসার করছেন। এ বিষয়ে নিলুফারের দ্বিতীয় স্বামী মো: শহিদুল ইসলাম জানান, আমার বিয়ে করা স্ত্রী আমাকে তালাক না দিয়েই আমার নামে মি’থ্যা

মামলা দিয়ে অন্য পুরুষের ঘর করছে।প্রথম স্বামী মফিজুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাকে পাওয়া যায়নি। মফিজুলের বড় ভাই সাংবাদিকদের বলেন, ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর একটা দু’র্ঘটনা হয়েছিল। দ্বিতীয় স্বামী মো: শহিদুল ইসলামকে তালাক দিয়ে সেই সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। এখন এ বিষয়ে আর কোন সমস্যা নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *