২০ বছর পর স্বপ্ন পূরণ, ২৫ লক্ষ টাকা জিতলেন মুর্শিদাবাদের মেয়ে রুণা

প্রায় ২০ বছর ধরে একটু একটু ক’রে স্ব’প্নের জাল বু’নেছি’লেন। তবে স্ব’প্ন অধ’রাই ছিল। অবশেষে স্বপ্ন’পূরণ হল মু’র্শিদা’বাদের মেয়ে, কৃষ্ণন’গরে’র বৌ’মা, বর্ত’মানে ক’লকা’তার বাসি’ন্দা রু’ণা সাহার। শুক্র’বার অ’মি’তাভ বচ্চ’নের কৌন ব’নেগা’ ক্রো’ড়’পতি থেকে ২৫ লক্ষ টাকা জি’তে নিয়ে’ছেন রুণা। স্ব’প্ন পূর’ণে উ’চ্ছ্ব’সিত রুণা, কথা ব’ললেন Zee ২৪ ঘণ্টা ডট কমে’র সঙ্গে।

রুণা সা’হার সঙ্গে ফোনে যো’গাযো’গ করা হলে তিনি ব’লেন, ” ২০০০ সালে যখন প্রথম KBC শু’রু হয় তখন থে’কেই দে’খতা’ম। যদিও আমা’র তখন কে’বল কা’নে’ক’শন ছিল না। পা’শের একটি বা’ড়ি’তে আ’মি ও আ’মার স্বা’মী KBC দেখ’তে গি’য়েছি’লাম। আমারা দু’জনেই অ’মিতাভ বচ্চ’নের ব’ ভ’ক্ত। তখন থেকে’ই শুরু হয়ে’ছিল স্ব’প্নের ‘জা’ল বোনা।

অনে’ক বছর ধরে আ’মি চে’ষ্টা করেছি’ KBCতে যাও’য়ার, কিন্তু ‘হয়নি। এবছর শু’রুর দিকে প্রথম IVR ফো’ন পাই। তবে কা’উকে ‘জা’নাই নি, শুধু মেয়ে’কে ব’লেছি’লাম। তারপ’র কো’ভিড প’রিস্থি’তির কা’রণে আ’শা প্রায় ছে’ড়েই দি’য়েছি’লাম। তবে জু’লাই মা’সে ইন্টা’রভিউ’য়ের জ’ন্য ফোন আ’সে, ত’খন আমি আ’মার স্বামী’কে ‘জানা’ই।

এরপর বাড়ি থেকে’ই ভি’ডি’য়ো কলে অডি’ন হয়। অগস্টে’র শেষে’র দি’কে আমি মুম্ব’ইয়ে যাচ্ছি, ও’নারা নি’শ্চিত করেন। তখন মা ও দাদাকে জা’নি’য়েছিলাম। সেপ্টেম্বরের শেষের দি’কে হয় শ্যু’টিং হয়ে’ছিল। গতকা’ল (শুক্রবার) যে এ’পিসো’ডটি দেখা’নো হয়েছে, সেটি ২৮ সে’প্টেম্বর ‘শ্যুট হয়। পুরো বিষ’য়টি’তেই আ’মাকে আ’মার স্বা’মী গৌ’তম সাহা, মেয়ে দেব’শ্রী’তা সাহা এবং পরি’বা’রের সক’লেই ভীষণ উৎ’সাহ দি’য়েছেন।”

রুণা’র কথায়, ”আমি ২৫ লক্ষ টাকা জে’তার পর ৫০ লক্ষ টা’কার খে’লার জন্য আর ঝুঁ’কি নিই নি। তবে ৫০ লক্ষ টা’কার প্রশ্নটিতেও আমি সঠি’ক উত্তরই দিয়ে’ছিলা’ম। তাই একটু আ’ফসো’স হচ্ছে। আমি মুর্শি’দাবা’দের মেয়ে, আমি KBC জেতায় ওখান’কার মানুষ ভীষণ খুশি। আমার শ্বশু’রবা’ড়ি কৃষ্ণনগর, তবে বহুব’ছর হয়ে গেল আমি বেহালা’র শকু’ন্তলা পার্কের বাসিন্দা। সৌরভ গ’ঙ্গোপা’ধ্যায় আমা’র প্রতিবে’শী নন, তবে খুূব কাছে’ই থা’কেন। মু’র্শিদা’বাদের পাশা’পা’শি কৃ’ষ্ণনগর, কল’কা’তার মা’নুষও আমার এই জয়ে খুব খুশি।”

রুণা আরও জানান, বর্তমা’নে তাঁর ছোট্ট একটি শা’ড়ির ব্যব’সা। জি’তে নেওয়া ২৫ লক্ষ টাকা দিয়ে নিজে’র ব্যবসা আরও বড় করতে চান রু’ণা সা’হা।

Author: Rijvi Ahmed

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *