ব্রেকিং নিউজ – গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আরও ১০ জনের মৃ’ত্যু

গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রা’ন্ত হয়ে আরও ১০ জন মানুষ মা’রা গেছেন। সোমবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রাণঘাতী করোনার ভয়ে সকলেই একটু ভয়ের মধ্যে আছে। কারন এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসের কার্যকারী কোন প্রতিষেধক বা ওষুধ আবিষ্কার হয়নি।ফলে সবার সচেতনতায় এখন করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচার একমাত্র উপায়। যদি কোনোভাবে করোনায় আক্রান্ত হয়ে পড়েন তাহলে কিভাবে পরিবারের বাকী সদস্যদের রক্ষা করবেন সে সম্পর্কেও কিছুটা ধারণা রাখা প্রয়োজন। এ বিষয়ে কিছু পরামর্শ থাকছে আপনাদের জন্য-ঃ

১। কোয়ারেন্টাইন জোন তৈরি করা-ঃ যদি কেও করোনা আক্রান্ত হয়ে যায় তাহলে সবচেয়ে ভাল হবে যদি তাকে আলাদা কক্ষে রাখা যায়। তবে সেটা যদি কোন ভাবেই সম্ভব না হয় তাহলে অবশ্যই কোয়ারেন্টাইন জোন তৈরি করতে হবে। আক্রান্ত ব্যাক্তি থেকে নুন্যতম ৬ ফুট দূরে থাকতে হবে। বেশি হলে আরও ভাল।

২। উচ্চঝুঁকির সম্ভাবনা থাকলে অন্য কোথাও অবস্থান করা-ঃ এখনও আক্রান্ত হয়নি ,তবে আক্রান্ত হওয়ার খুব বেশি ঝুকি আছে সেক্ষেত্রে নিজের পরিবারের বদলে নিরাপদ কোন বন্ধু বা আত্মীয়র বাসায় অবস্থান করা উচিত। যদিও এটা কোন আদর্শ উধাহরন না তারপর ও অন্যদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলার চেষ্টা করতে হবে।

৩। কারো কাছ থেকে সরাসরি খাবার নেবেন না-ঃ আক্রান্ত ব্যাক্তি কখনই অন্যের হাত থেকে সরাসরি খাবার গ্রহণ করবে না। এমনকি কোন পাত্রে থাকলেও না। দেখাশুনা করার দায়িত্তে যিনি আছেন তিনি খাবার দরজার কাছে রেখে আসবেন। আর আলাদা ঘর না থাকলে কোয়ারেন্টাইন জোনের কাছে খাবার রাখতে হবে। সেক্ষেত্রে অবশ্যই মাস্ক এবং গ্রাভস ব্যবহার করা উচিত।

৪।জীবাণুমুক্ত রাখা -ঃ আক্রান্ত ব্যাক্তির স্থান এবং কোয়ারেন্টাইন জোনের বাইরের স্থান গুলাও নিয়মিত জীবাণুমুক্ত করতে হবে। ঝুকি এড়াতে নিয়মিত কাপড় ভালভাবে ধুয়ে ফেলুন।

৫। আলাদা বাথরুম-ঃ যদি সম্ভব হয় করোনা আক্রান্ত ব্যাক্তির আলাদা বাথরুম ব্যবহার করা উচিত। আর যদি একান্তই সম্ভব না হয় তাহলে প্রতিবার বাথরুম ব্যবহারের পর ভালভাবে পরিষ্কার করুন। সেই সাথে বাথরুমকে জীবাণুমুক্ত রাখার চেষ্টা করতে হবে।

৬। নির্দিষ্ট একজন শুশ্রূষাকারী থাকা -ঃ করোনা আক্রান্ত রোগীর দেখা শুনা করার জন্য একজন শুশ্রূষাকারী থাকাটা আবশ্যক। সেবা করার আগে সেই ব্যাক্তিকে অবশ্যই মাস্ক ও গ্লাভস পরতে হবে।

৭। ঘরের পোষা প্রাণীর কাছ থেকে দূরত্ব রাখতে হবে-ঃ করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে গৃহপালিত পশু-পাখিকে রোগীর কাছ থেকে দূরে রাখতে হবে। কারন ইতিমধ্যে কিছু কুকুর, বিড়াল এমনকি চিড়িয়াখানার বাঘেরও করোনা আক্রান্তের খবর এসেছে।

৮। ঘরের বাইরের লোকদেরও বাঁচানো-ঃ করোনা আক্রান্ত ব্যাক্তির থেকে বাইরের লোকদের মাঝেও এই মরনঘাতী ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে তাই সব সময় ডাক্তারদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হবে। মোবাইলে তাদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গুলা জেনে নিতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *