ক্ষুধা থাকলে খালি পেটে ভুলেও খাবেন না যে ৪টি খা,বার

তাহলে জেনে নিন, ক্ষুধারসময় যে ৪ ধরণের খাবার খাওয়া উচিত নয়-১) ফল : খালি পেটে ফল খেতে নেই- এই কথাটা আম’র’া আমা’দের ছেলেবেলা থেকেই জানি। একটি আপেল বা একটি কলা খেয়ে কখনই পেটের ক্ষুধামিটে না।বরং আপনার খিদে খিদে ভাব আরও বেড়ে যাব’ে। যদি ফলখেয়েই থাকেন তাহলে এর স’ঙ্গে আপনার খাওয়া উচিত কোনও প্রোটিন ধরণের খাবার। ফলের স’ঙ্গে খেতে পারেন সামান্য পরিমাণ বাদাম, পিনাট বাটার বা পনির।

২) ঝাল খাবার : কোন কাজের জন্যদুপুরের খাবার সারতে দেরি হয়েছে। এ সময় প্রচণ্ড ক্ষিদে পেয়েছে, তাই হাতের কাছে পাওয়া ঝাল ঝাল কোনও মুখরোচকখাবার খেয়ে বসলেন। এতে আপনার হ’জমের সমস্যা তৈরি হবে। খালি পেটে ঝাল খাবার খেলে এই মশলা আপনার পাকস্থলীর আবরণের ওপরসরাসরি প্রভাব ফেলবে। তাই ঝাল ঝাল খাবার খাওয়ার আগে দুধ বা দই খেতে পারেন। এতে সরাসরি ঝালের প্রভাব পাকস্থলীরওপর পড়বে না।

৩) কমলালেবু বা কফি : এই সব খাবার খালি পেটে খেলে অ্যাসিডিটি তৈরি করে। এতে পেট খা’রাপ হবার সম্ভাবনা তৈরি হয়। বিশেষ করে যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য খালি পেটে কফি পান করাটা অ’ত্যন্ত ক্ষ’তিকর। সবজি পেটের জন্য এতোটা ক্ষ’তিকর না। তাই সবজির সালাদ খেতে পারেন। সে’দ্ধ ডাল বা মুরগীর মাংসও (কম মশলাদার হলে চলবে) এ সময়ে খাওয়া যেতে পারে।

৪) বিস্কুট বা চিপস : এমনটা ‘হতে পারে যে আপনি আর দুই ঘন্টা পর দুপুরের খাবার খাবেন। তাই এখন ভারী কিছু খেতে চাচ্ছেন না। কিন্তু তা বলে বিস্কুট বা চিপস একেবারেই নয়! ছোট এক প্যাকেট বিস্কুট বা চিপস বেশিক্ষণ পেটে থাকবে না। এগু’লিতে থাকা কার্বোহাইড্রেট কিছুক্ষণের মধ্যেই হ’জম হয়ে যাব’ে। ফলে আপনার খিদে খিদে ভাব দ্রুত ফিরে আসবে। সে ক্ষেত্রে খেতে পারেন ২৫০-৩০০ ক্যালোরির কোনও খাবার। যেমন, একটা স্যান্ডউইচ বা একটা কেক।

প্রচণ্ড ক্ষুধা পেলে ঘরে যা থাকে তাই খেয়ে ক্ষুধা নিবারণ করি। কেননা ক্ষুধা পেলে খাবার না খাওয়া পর্যন্ত কিছুই ভালো থাকে না। তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব খাবার খেয়ে ক্ষুধা মেটানো হয়। কিন্তু এ সময় সব ধরনের খাবার খাওয়া উচিত নয়, কারণ কিছু খাবার আছে যেগু’লো খিদের সময়ে খেলে যেমন পেটের ক্ষিদে মিটবে নাতেমনি শ’রীরের অনেক বড় ক্ষ’তি ‘হতে পারে- জি নিউজ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *