যে কাজটি করলে, কখনোই আপনার গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থাকবে না!

আমাদের দেশে গ্যাস্টিকের স’মস্যা নেই এমন মানুষ হয়তো খুঁজে পাওয়াই যাবে না। এই স’মস্যাটি মূলত ভাজাপোড়া খাবার খেলেই বেশি হয়ে থাকে। অনেকেরই এ সব খাবার খাওয়ার পরে পে’ট ব্য’থা বা বুকে ব্য’থা কিংবা বদ হ’জম হয়।অথচ এই স’মস্যা দূ’র করার জন্য ওষুধ না খেয়ে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নিচের যেকোন একটি নিয়ম মানলেই চলবে।

১। আধা ইঞ্চি পরিমাণ কাঁচা আদা নিন। তারপর অল্প একটু লবন মাখিয়ে খেয়ে ফেলুন। আদা খাওয়ার কিছুক্ষণ পর এক কাপ কুসুম গরম জল খান। গ’ভীর রাতে আর গ্যস্ট্রিকের স’মস্যা হবে না। অথবা,

২। এক গ্লাস জল একটি হাড়িতে নিয়ে চুলায় বসান। এর আগে এক ইঞ্চি পরিমাণ কাঁচা হলুদ জলে দিয়ে দিন। জল অন্ত’ত পাঁচ মিনিট ফুটতে দিন। তারপর নামিয়ে আনুন। জল ঠাণ্ডা হলে হলুদসহ খেয়ে ফেলুন। গ্যাস্ট্রিক দৌঁড়ে পালাবে। অথবা,

৩। ওপরের সমস্ত পদ্ধতি ঝামেলার মনে হলে শুধুমাত্র এক গ্লাস জলে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পান করুন। কখনোই রাতে পে’ট বা বুক ব্য’থা করবে না।গ্যাস্ট্রিকের লক্ষণগুলো হল পে’টে জ্বা’লা-পোড়া করা, বদহ’জম, বমি বমি ভাব, বমি করা, পে’টে ক্ষুধা, ক্ষুধা হ্রাস পাওয়া, খাওয়ার পর উপরের পে’ট বেশি ভরে গিয়েছে অনুভূতি হওয়া ইত্যাদি। খাবার সময়মতো খাওয়া হয়না, বাইরের ভাজা-পোড়া বেশি খাওয়া, জাঙ্কফুড খাওয়া, পরিমাণ মতো পানি না খাওয়া ইত্যাদি কারণে গ্যাস্ট্রিক এর স’মস্যা দেখা দেয়। গ্যাস্ট্রিকের হাত থেকে নিস্তার পেতে জে’নে রাখু’ন কিছু ঘরোয়া উপায়-

আলুর রস- ১. গ্যাস্ট্রিক স’মস্যা রো’ধ করার অন্যতম ভাল উপায় হল আলুর রস। আলুর অ্যালকালাইন উপাদান গ্যাস্ট্রিক স’মস্যার লক্ষণগুলো রো’ধ করে থাকে। ২. একটি বা দুটো আলু নিয়ে গ্রেট করে নিন। এর গ্রেট করা আলু থেকে রস বের করে নিন। এরপর আলুর রসের সাথে গরম জল মিশিয়ে নিন। এই পানীয় দিনে ৩ বার পান করুন। প্রতি বেলায় খাবার ৩০ মিনিট আগে খেয়ে নিন আলুর রস। তবে অন্ত’ত ২ সপ্তাহ পান করুন এই পানীয়।

আদা- ১. আদাতে আছে এমন কিছু উপাদান যা গ্যাস্ট্রিক স’মস্যায় জ্বা’লাপোড়া হলে তা রো’ধ ক’রতে সাহায্য করে। আদা খেলে বমি স’মস্যা, বদ হ’জম, গ্যাস হওয়া কমে যায় ২. আদার রসের সাথে মধু মিশিয়েও খেতে পারেন। দুপুরে ও রাতে খাওয়ার আগে এটি খেয়ে নিন। ৩. আদা কুচি করে জল দিয়ে ফুটিয়ে নিন। ১০ মিনিট ডেকে রাখু’ন, এরপর সামান্য মধু মিশিয়ে চায়ের মতো বানিয়ে নিন। এই পানীয়টি দিনে ২/৩ বার পান করুন উপকারিতা পেতে। ৪. আপনি চাইলে আস্ত আদা ধুয়ে কে’টে চিবিয়েও খেতে পারেন।

দই- ১. প্রতিদিন ২/৩ চামচ দই খেয়ে নিন। ২. দই আমাদের পাকস্থলীকে এইচ পাইলোরি ব্যাকটেরিয়া থেকে র’ক্ষা করে যা গ্যাস্ট্রিক হওয়ার অনতম কারণ। তাছাড়া দই আমাদের দে’হের রো’গ প্র’তিরো’ধ ক্ষ’মতা বৃ’দ্ধি করে। ৩. আপনি চাইলে কলা, দই ও মধু একসাথে পেস্ট করে খেতে পারেন দ্রুত গ্যাস্ট্রিক স’মস্যা রো’ধ করার জন্য।

Author: Rijvi Ahmed

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *