রাজশাহী বিভাগে দুই হাজার ছাড়াল কোভিড রোগী, নয় দিনেই সংখ্যা দ্বিগুণ

রাজশাহী বিভাগের আট জেলায় শনাক্ত হওয়া কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা দুই হাজার ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে অর্ধেকের বেশি রোগী বগুড়ার। সংক্রমিত হিসেবে শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৪৬৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে নতুন ১০৮ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে রাজশাহী বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক গোপেন্দ্র নাথ আচার্য্য এসব তথ্য নিশ্চিত জানিয়েছেন।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বিভাগের মধ্যে রাজশাহীর পুঠিয়ায় প্রথম কোভিড আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হন গত ১২ এপ্রিল। বিভাগটিতে ৫০০ কোভিড রোগী শনাক্ত হতে সময় লেগেছিল ৩৯ দিন। গত ২ জুন ৫১ তম দিনে এখানে সংক্রমণের সংখ্যা হাজার ছাড়ায়। দেড় হাজার রোগী ছাড়ায় ৬ জুন। আর ২ হাজার রোগীর সংখ্যা ছাড়িয়েছে বৃহস্পতিবার। অর্থাৎ প্রথম ১ হাজার রোগী শনাক্ত হয়েছিল ৫১ দিনে। আর পরের ১ হাজার জন রোগী পাওয়া গেছে মাত্র ৯ দিনে।

গোপেন্দ্র নাথ আচার্য্য বলেন, বিভাগের আট জেলায় এ পর্যন্ত ২ হাজার ৯৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে বগুড়াতেই ১ হাজার ১০৯ জন। এ ছাড়া রাজশাহীতে ১১৬ জন, জয়পুরহাটে ২১৪ জন, নওগাঁয় ১৬৩ জন, সিরাজগঞ্জে ১৬৩ জন, পাবনায় ১৭৭ জন, নাটোরে ৭৮ জন এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৭৯ জন শনাক্ত হয়েছেন।

রাজশাহী বিভাগে এখন পর্যন্ত কোভিডে মারা গেছেন ২৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন দুজন। তাঁরা পাবনা ও সিরাজগঞ্জের বাসিন্দা। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বগুড়ায় ১১ জন, পাবনায় ৫ জন, সিরাজগঞ্জে ৩ জন, রাজশাহীতে ৩ জন, নওগাঁয় ৩ জন ও নাটোরে ১ জন মারা গেছেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও জয়পুরহাটে এখনো কেউ কোভিডে আক্রান্ত কেউ মারা যাওয়ার তথ্য নেই।

রাজশাহী বিভাগে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪৬৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২৫ জন। সবচেয়ে বেশি করোনামুক্ত হয়েছেন সর্বোচ্চ নওগাঁয় ১২০ জন। এ ছাড়া জয়পুরহাটে ১১৫ জন, বগুড়ায় ৮৯ জন, নাটোরে ৩৯ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৪২ জন, রাজশাহীতে ৩৩ জন, সিরাজগঞ্জে ১৬ জন এবং পাবনায় ১০ জন।

গোপেন্দ্র নাথ আচার্য্য বলেন, রাজশাহী বিভাগে করোনার হটস্পট এখন বগুড়া। এই জেলায় যেমন বিভাগের মোট সংখ্যার অর্ধেকের বেশি করোনা রোগী আছেন, তেমনি মারা গেছেন ১১ জন যা বিভাগে সর্বোচ্চ। পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ছে, তাই শনাক্তের সংখ্যাও বাড়ছে বলে মনে করেন তিনি

Author: Online Editor

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *