ভারতে প্রতিদিন ১ লাখ করোনা পরীক্ষায় আক্রান্ত ৯ হাজার

করোনা আক্রান্তে প্রতিনিয়ত রেকর্ড ভাঙছে ভারত। দেশটিতে একদিনে আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় দশ হাজার মানুষ। একইভাবে মৃত্যুও তিনশোর কাছাকাছি। দেশটিতে আগামী দু-তিন মাসের মধ্যে কোভিড নাইন্টিন আরো ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা শঙ্কা প্রকাশ করলেও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দু’জন বিশেষজ্ঞের পাল্টা দাবি, সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই ভারতের করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। এরইমধ্যে, সরকারি বেসরকারি অফিসসহ শপিংমল, রেস্তোরাঁ খুলে দেয়া হয়েছে।

প্রতিদিন গড়ে এক লাখ টেস্ট হচ্ছে ভারতে। আর গত ২১ মে থেকে রোজ কোভিড পজেটিভ হিসেবে ধরা পড়ছেন গড়ে ৯ হাজার মানুষ। টেস্টের হারের প্রায় ৯ শতাংশ মানুষের মধ্যে ধরা পড়েছে এই ভাইরাসের উপস্থিতি।

এই টেস্টকেও অপ্রতুল উল্লেখ করে দেশটির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিইটউট অফ মেডিক্যাল সাইন্স বা এআইআইএমএস এর প্রধান রণদীপ গুলেরিয়ার আশঙ্কা, আগামী দু-তিন মাসের মধ্যেই ভারতে করোনা পরিস্থিতি বিশ্বের শীর্ষতম স্থানে পৌঁছাতে পারে।

ঠিক একই সময়ে গাণিতিক পর্যালোচনা করে ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অন্য একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝিতে করোনা সংক্রমণ কমবে ভারতে।

ইতোমধ্যে ভারতের হোটেল, রেস্তোরাঁ, শপিংমলসহ সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে গণপরিবহনের সংকটে অফিসযাত্রীদের পোহাতে হচ্ছে দুর্ভোগ।

একজন বলেন, ‘আমরা যত নিরাপদ থাকার চেষ্টা করি না কেনো কাজে যাওয়ার সময় ঝুঁকিটা থেকেই যায়।’

গত ২৫ মার্চ থেকে করোনা মোকাবিলায় ভারতে লকডাউন শুরু হয়। চার দফায় ৬৮ দিনের লকডাউন শেষ হয় ৩১ মে। পহেলা জুন থেকে শুরু হয় আনলক ১ নামে দেশটিকে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া।

Author: Online Editor

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *