ট্রাম্প না বাইডেন, সাকিবপত্নী শিশির কাকে ভোট দিলেন?

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (০৩ নভেম্বর) ভোর থেকে আনুষ্ঠানিক ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে দুইটি কেন্দ্রের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এরমধ্যে একটি কেন্দ্রের একটি ভোটও পাননি প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এ নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন বাংলাদেশের জাতীয় ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের স্ত্রী উম্মে আহমেদ শিশির। উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যে ভোট দিয়েছেন শিশির। ফেসবুক একাউন্ট থেকে নিজের হাতে নির্বাচনের একটি স্টিকারযুক্ত ছবি পোস্ট করে শিশির লেখেন ‘ইলেকশন ডে, আমি আমার ভোট দিয়েছি।’

এরমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক প্রায় ১০ কোটি মানুষ আগাম ভোট পড়েছিল। নির্বাচনের একদিন আগেই অধিকাংশ ভোটার তাদের রায় দিয়ে দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে যত ভোট পড়েছিলো, এবার আগাম ভোটেই তার প্রায় ৬৫ শতাংশ দেয়া হয়ে গেছে।

আশা করা হচ্ছে, আজ আরও কমপক্ষে আট-নয় কোটি মানুষ ভোট দেবেন। নির্বাচনে ডেমোক্রেট দল থেকে লড়ছেন সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং রিপাবলিকান দল থেকে লড়ছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এদিকে, শুরুতেই নিউ হ্যাম্পশায়ারের ডিক্সভিলে নচ গ্রামের বাসিন্দারা তাদের ভোট প্রদান করেছেন। ভোট গ্রহণের কয়েক মিনিটের মধ্যে ভোটগুলো গণনাও করা হয়। এই গ্রামের পাঁচটি ভোটের সবগুলোই পেয়েছেন ডেমোক্রেটিক প্রার্থী জো বাইডেন। বিপরীতে একটি ভোটও পাননি বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

তবে এই কেন্দ্রের ফলাফল প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তেমন একটা প্রভাব ফেলে না বলে জানা গেছে।

এছাড়া মিসফিল্ড নামের একটি এলাকায় একটি কেন্দ্রে একইভাবে ২১টি ভোট পড়েছে। এ কেন্দ্রে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পেয়েছেন ১৬ ভোট এবং বাইডেন পেয়েছেন ৫ ভোট।

২০১৬ সালেও প্রথম প্রহরের ভোটকেন্দ্র ডিক্সভিল নচ কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিলেন হিলারি ক্লিনটন। তবে রাজ্যের চূড়ান্ত ভোটে নিউ হ্যাম্পশায়ার রাজ্যে ইলেকটোরাল ভোট জিতেছিলেন রিপাবলিকানপ্রার্থী বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দিনের প্রথম প্রহরে ভোট দেওয়ার ঐতিহ্য রয়েছে এই রাজ্যের ডিক্সভিল নচ, মিলসফিল্ড এবং হার্টস কমিউনিটির বাসিন্দাদের।

Author: Rijvi Ahmed

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *